Uncategorized

অনলাইনে NID CARD সংশোধনের নিয়ম

আজকের পোস্টটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি বলার কারণ আজকে আমরা আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছি অনলাইনে এনআইডি সংশোধনের নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য নিয়ে। সুতরাং যারা অনলাইনে এনআইডি সংশোধনের নিয়ম সম্পর্কে অনুসন্ধান করেছেন। তারা এই পোস্টের মাধ্যমে খুব সহজেই এনআইডি সংশোধনের নিয়ম সম্পর্কে জানতে পারবেন।

সুতরাং আপনার এনআইডি কার্ডের মধ্যে যদি কোন প্রকার ভুল ত্রুটি হয়ে থাকে তাহলে খুব সহজেই এটির সংশোধন পেয়ে যাবেন। এর জন্য আপনাকে যে কাজগুলো করতে হবে সে কাজগুলো সম্পর্কে আজকের পোষ্ট সুতরাং এই কাজগুলো কেই বলা হয় এনআইডি সংশোধনের নিয়ম। অর্থাৎ যারা অনলাইনের মাধ্যমে ঘরে বসে এনআইডি সংশোধন করতে চান তারা এই পুরো পোস্টটি মনোযোগ সহকারে পড়বেন। আশা করি আপনার সমস্যার সমাধান পেতে পারবেন এই পোস্টের মাধ্যমে।

এনআইডি হচ্ছে সংক্ষিপ্ত রূপ এর বাংলা পূর্ণরূপ হচ্ছে জাতীয় পরিচয় পত্র। এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি জিনিস। যেটি আপনার পরিচয় জাতীয়তা প্রকাশ করে। এটির মাধ্যমে নির্ধারণ করা হয় আপনি কোন দেশের নাগরিক। এছাড়াও বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই জাতীয় পরিচয় পত্রের ব্যবহার রয়েছে। এত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার ফলে ও এটির মধ্যে অনেক সময় ভুল ত্রুটি হয়ে থাকে।

তবে এটির সমাধান রয়েছে আপনারা চাইলে এটি সংশোধন করে নিতে পারেন। সংশোধনের উপায় থাকলে অনেকেই এই উপায় গুলো সম্পর্কে জানেনা। এই সকল ব্যক্তির জন্য আজকের এই পোস্ট। এখানে আমরা জাতীয় পরিচয় পত্র অনলাইনে সংশোধনের নিয়ম অর্থাৎ উপায় গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব। আশা করি এই পোষ্টের মাধ্যমে আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য পেয়ে যাবেন।

জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য সংশোধন

এনআইডি অর্থাৎ জাতীয় পরিচয় পত্র । বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনেকেই এটিকে ভোটার আইডি কার্ড নামে আখ্যায়িত করেন। সহজভাবে এটিকে বলে থাকেন ভোটার আইডি কার্ড। অর্থাৎ এই কার্ড টিতে কোন তথ্য ভুল থাকলে কি করবেন । অবশ্যই এটি সমাধান রয়েছে । তবে এটি সংশোধনের কয়েকটি ধরন রয়েছে যেমন আপনার ভোটার আইডি কার্ডের সামনের দিকে তথ্য যেমন নাম পিতার নাম মাতার নাম এবং জন্মতারিখ । এই তথ্য গুলোর মধ্যে কোন একটি তথ্য ভুল থাকলে একসাথে অনেকগুলো ভুল থাকলে এটি পরিবর্তন করতে পারবেন এক্ষেত্রে আপনাকে একটি নির্দিষ্ট ফি প্রদান করতে হবে।

নাম সংশোধন

নাম সংশোধনের জন্য বেশি গ্রহণযোগ্য প্রমাণপত্র হচ্ছে এসএসসি, এইচএসসি বা সমমানের সনদ (SSC and HSC Certificate)

যদি কারো এসএসসি সনদ না থাকে এক্ষেত্রে নিম্মোক্ত ডকুমেন্ট গুলোর যে কোন ১ টি বা ২ টি বা সবগুলো  সাবমিট করতে পারেন।

নাম সংশোধনের জন্য যে প্রমাণপত্রগুলো প্রয়োজনঃ (যেকোন ১টি)

  • এসএসসি বা এইচএসসি অথবা সমমানের সনদ
  • অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ
  • পাসপোর্ট/ড্রাইভিং লাইসেন্স
  • এমপিওসিট/সার্ভিস বহি
  • বিবাহের কাবিন নামা

পিতা ও মাতার নাম সংশোধন

অনেক সময় দেখা যায় জাতীয় পরিচয় পত্রে পিতা মাতার নাম ভুল দেওয়া হয় অথবা নামের বানানে কোথাও ভুল হয়েছে। এক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় পড়তে হয়। অনেক সময় দেখা যায় সার্টিফিকেটের মধ্যে পিতার নাম একটি এবং বাবার আইডেন্টি কার্ড অথবা জাতীয় পরিচয় পত্র নামের ব্যতিক্রম। এ ক্ষেত্রে বড় ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এ কারণেই এ ধরনের সমস্যা থাকলে আপনারা খুব শিগ্রই সমাধানের চেষ্টা করুন। এ ধরনের সমস্যা সমাধানের জন্য আপনাকে কিছু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে হবে ।

এর মধ্যে আপনার এসএসসি বা এইচএসসি সার্টিফিকেট অথবা রেজিস্ট্রেশন কার্ড প্রদান করতে পারেন। এছাড়াও এই সম্মান সনদপত্র প্রদান করতে পারেন। অনেক ক্ষেত্রে যদি এই সকল কাগজপত্র না থাকে। তাহলে আপনার চাইলে জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র থেকে এটি সমাধান দিতে পারেন। এটির বিপরীতে আপনি চাইলে পাসপোর্ট অথবা ড্রাইভিং লাইসেন্স এর মাধ্যমে এটি সংশোধন করে নিতে পারেন।

ভোটার আইডি কার্ড জন্ম তারিখ সংশোধন

ভোটার আইডি কার্ড জন্ম তারিখ সংশোধনের জন্য সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য প্রমাণপত্র হচ্ছে এসএসসি (SSC Certificate) যদি কারো এসএসসি সনদ না থাকে এক্ষেত্রে নিম্মোক্ত ডকুমেন্ট গুলোর যে কোন ১ টি বা ২ টি বা সবগুলো  সাবমিট করতে পারেন।

Related Articles

Back to top button