Valentine's Day

ভালোবাসা দিবস কেন পালন করা হয় ? জেনে নিন ভালোবাসা দিবসের ইতিহাস ।

আজকের পোস্ট এর মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন ভালোবাসা দিবস সম্পর্কে। এই দিবস কেন পালন করা হয়।  এই দিবসের পিছনের ইতিহাস সহ বিস্তারিত সকল তথ্য। তাই আপনি যদি ভালোবাসা দিবস সম্পর্কে অনুসন্ধান করে এই ওয়েবসাইটটিতে এসে থাকেন । তাহলে সঠিক জায়গায় এসেছেন। এখান থেকে আপনি বিস্তারিত তথ্য সুন্দর ভাবে জেনে নিতে পারবেন।

ভালোবাসা দিবস কত তারিখে ?

14 ফেব্রুয়ারী শুভ ভালোবাসা দিবস।

প্রতি বছর, 14ই ফেব্রুয়ারি মানুষ শুভ ভালোবাসা দিবস  উদযাপন করে। তবে এই দিবসটি সরাসরি একদিন এই সমাপ্তি করা হয়নি। এক সপ্তাহ ধরে এই দিবসের আনুষ্ঠানিকতা চলতে থাকে। এর প্রত্যেকটি দিন একেকটি দিবস হিসেবে উদযাপিত হয়। এ প্রত্যেকটি দিবসের নাম  দেওয়া রইল।

ভালোবাসা দিবসের 7 দিনের নাম হল রোজ ডে, প্রপোজ ডে, চকলেট ডে, টেডি ডে, প্রমিস ডে, হাগ ডে, কিস ডে এবং অবশেষে ভ্যালেন্টাইন ডে অর্থাৎ ভালোবাসা দিবস। এটি বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় উদযাপন দিবস। বিপুল সংখ্যক মানুষ সফলভাবে এই দিনটি উদযাপন করছে। এই ভালোবাসা দিবস টি। বিশ্বে প্রায় সকল দেশে আনন্দে মুখরিত ভাবে। আনন্দের সাথে উদযাপন হয়ে থাকে। হাজারো তরুণ-তরুণী এই দিবসটি জন্য অপেক্ষা করে থাকেন।

উইকিপিডিয়া অনুসারে, আমরা জানি যে ভালোবাসা দিবস, যাকে সেন্ট ভ্যালেন্টাইন ডে বা সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের উৎসবও বলা হয়, প্রতি বছর 14 ফেব্রুয়ারী পালিত হয়। প্রত্যেক মানুষ তার পরিবার, বন্ধু এবং প্রেমিক প্রেমিকা সাথে ভালোবাসা দিবস উদযাপন করে। এই দিনটি প্রেমীদের জন্য বিশেষ কিছু।

কেন পালন করা হয় ?

অনেকেই অনলাইনে অনুসন্ধান করেন এই দিবসটি কেন পালন করা হয় এটি সম্পর্কে জানার জন্য। তাদের উদ্দেশ্যে আমরা বলবো বর্তমান সময়ে প্রতিটি বিষয়ের উপর আলাদা একটি দিবস নির্ধারণ করা হয়েছে। একই ভাবে ভালোবাসা দিবসের ক্ষেত্রেও এই দিনটি নির্ধারণ করা হয়েছে। 14 ই ফেব্রুয়ারি। ভালোবাসা দিবসের অংশের ছয়টি দিবসের পর উপস্থিত হয় ভালোবাসা দিবস।

এই দিনটিতে প্রায় সকল বয়সের লোক তাদের ভালোবাসার মানুষকে বিভিন্ন উপহার সামগ্রীর মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানিয়ে থাকেন। এই দিনটির ফলে সকলের ভালোবাসার মানুষগুলো তাদের পছন্দের মানুষটিকে আরো গভীরভাবে আপন করে নিয়ে থাকেন। আরো গভীর সম্পর্কে আবদ্ধ হয়ে যায় তাই এই দিনটি বিশেষ দিন হিসেবে উদযাপিত হয়।

ভালোবাসা দিবসের ইতিহাস

ভালোবাসা দিবসের ইতিহাস সম্পর্কে জানার জন্য যারা ইচ্ছা প্রকাশ করছেন তারা এখান থেকে জেনে নিতে পারবেন। এই দিবসটি সম্পর্কে তেমন কোনো ইতিহাস নেই। তবে এই দিনটি উদযাপন উপলক্ষে অনেক ইতিহাস রয়েছে। এক একটি দেশ একেকভাবে এই বিশেষ দিনটি উদযাপন করে থাকেন। বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে এই উৎসবে অনেক অর্থ ব্যয় করেন। ভালোবাসা দিবস কিভাবে কে ঘোষণা করেন এ বিষয়ে জেনে রাখা ভালো। এটি ভালোবাসা দিবসের ইতিহাসের মধ্যে পড়ে।

ভালোবাসা দিবসের ইতিহাস অস্পষ্ট, এবং বিভিন্ন কাল্পনিক কিংবদন্তির দ্বারা আরো মেঘে ঢাকা। কিছু পরামর্শ রয়েছে যে ছুটির মূল লুপারক্যালিয়ার প্রাচীন রোমান উৎসবে রয়েছে , একটি উর্বরতা উদযাপন প্রতি বছর 15 ফেব্রুয়ারিতে স্মরণ করা হয়। পোপ গেলাসিয়াস আমি এই পৌত্তলিক উত্সবটিকে খ্রিস্টান উৎসবের দিন হিসাবে পুনর্নির্মাণ করেন প্রায় 496, ঘোষণা করেন যে 14 ফেব্রুয়ারিকে সেন্ট ভ্যালেন্টাইন্স ডে হিসাবে ঘোষণা করা হবে।

আশা করি, ভালোবাসা দিবস সম্পর্কে আপনারা জানতে পেরেছেন। ভালোবাসা দিবস সম্পর্কে আমাদের ওয়েবসাইটে আরও পোস্ট হয়েছে| আপনারা চাইলে সেগুলো দেখে নিতে পারেন। আমাদের উদ্দেশ্য আপনাদের সহযোগিতা করা। এতটা সময় আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *